সমাজসেবা অধিদপ্তর লোগো
সমাজসেবা অধিদপ্তর

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম

রোগীকল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় তহবিল

আসুন, অসহায় রোগীর কল্যাণে দান করি

আপনার কাছে যা সামান্য, একজন মুমূর্ষু রোগীর কাছে তা বেঁচে থাকার অক্সিজেন

আপনার দানকৃত অর্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আয়কর রেয়াতভুক্ত

💚 দান করুন

পরিমাণ বেছে নিন (টাকা)

***আয়কর রেয়াত পেতে আপনার নাম এবং মোবাইল নম্বর প্রদান করুন

আমি আমার পরিচয় গোপন রাখতে চাই
পেমেন্ট পদ্ধতি বেছে নিন
bKash bKash
Sonali Payment GW Sonali Payment

*** আপনার প্রদত্ত অনুদান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন এস. আর. ও. নং ১৫০-আইন/আয়কর-০৫/২০২৫ এর আলোকে কর রেয়াতের অন্তর্ভুক্ত। 📄 প্রজ্ঞাপনটি দেখতে ক্লিক করুন

🌿

আপনার মহৎ অবদানের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা।
আপনার এই দান একজন অসহায় রোগীর জীবনে আলো জ্বালাবে।

🏛️ আয়কর রেয়াতের সুবিধা

আপনার প্রদত্ত এই অনুদান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন এস. আর. ও. নং ১৫০-আইন/আয়কর-০৫/২০২৫ অনুয়ায়ী আপনার আয়কর রিটার্নে কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন। আপনার প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি সংরক্ষণ করুন।


আমাদের সম্পর্কে

বাংলাদেশে হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের সূচনা হয় ১৯৫৮ সালে, যখন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ন্যাশনাল কাউন্সিল অব সোস্যাল ওয়েলফেয়ার-এর উদ্যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথমবারের মতো চিকিৎসা সমাজকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। এই উদ্যোগ সফল হওয়ায় পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে সমাজকল্যাণ পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কার্যক্রমটি সম্প্রসারিত হয়। ধীরে ধীরে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় এই কার্যক্রম বিস্তৃত হতে থাকে এবং ১৯৯০-এর দশকে আরও বহু হাসপাতালে নতুন ইউনিট চালু করা হয়। বর্তমানে এই কার্যক্রমটি দেশের ৬৪টি জেলা ও ৪২০টি উপজেলায় মোট ৫৪৭টি রোগীকল্যাণ সমিতির মাধ্যমে দুস্থ ও অসহায় রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের এককালীন বার্ষিক অনুদানের পাশাপাশি সমাজের দানশীল ব্যক্তিবর্গ ও প্রতিষ্ঠানের দান, অনুদান, যাকাত রোগীকল্যাণ সমিতির অন্যতম চালিকাশক্তি।

৫৪৭টি
হাসপাতালে কার্যক্রম বিস্তৃত
৩৪ কোটি ৬৬ লাখ
২০২৪-২৫ অর্থবছরের ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ
৭.২১ লাখ+
২০২৪-২৫ অর্থবছরের সহায়তাপ্রাপ্ত রোগী
২টি কেন্দ্রীয় তহবিল
কেন্দ্রীয় যাকাত তহবিল ও কেন্দ্রীয় অনুদান তহবিল

আমাদের সেবাসমূহ

🏥
০১

দরিদ্র রোগীর চিকিৎসা সহায়তা

অসচ্ছল রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

🔍
০২

রোগীর চাহিদা নিরূপণ

চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগীর প্রয়োজন ও উপযুক্ত সহায়তার ধরন নির্ধারণ করা হয়।

🩺
০৩

ওষুধ, রক্ত ও পরীক্ষা সহায়তা

বিনামূল্যে ঔষধ, পথ্য, রক্ত, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, বস্ত্র, হুইলচেয়ার ও অপারেশন সামগ্রী প্রদান করা হয়।

🕊️
০৪

লাশ পরিবহন ও দাফনের ব্যবস্থা

প্রয়োজনে মৃত ব্যক্তির লাশ পরিবহন ও দাফনের ব্যবস্থা করতেও সহায়তা করা হয়।

🧠
০৫

মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও কাউসেলিং

রোগী ও পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানসিক সহায়তা, কাউসেলিং ও সামাজিক সমর্থন দেওয়া হয়।

🤝
০৬

অসহায় ও নিরাশ্রয় ব্যক্তির সহায়তা

পরিত্যাগকৃত শিশু, নিরাশ্রয় প্রবীণ ও অসহায় রোগীদের সহায়তা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের উদ্দেশ্য

ম্যানুয়ালি অর্থ সংগ্রহের প্রতিবন্ধকতা

  • নগদ অর্থ বহন ও সংরক্ষণে নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে।
  • দাতা ও গ্রহীতা উভয়ের জন্য সময়ের এবং অর্থের অপচয় হয়।
  • দেশের বাইরে কিংবা দূরবর্তী স্থান থেকে পছন্দের হাসপাতালে দান করার কোন সুযোগ থাকে না।
  • মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দান করার কোন সুযোগ নেই।
  • হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
  • দাতা নির্দিষ্ট হাসপাতালে সহায়তা নিশ্চিত করতে পারেন না।
  • অফিস সময়ের বাইরে দান করার কোন সুযোগ থাকে না।
  • অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতার মাঝে যোগাযোগ এবং সমন্বয়ের অভাব হয়।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সুবিধা

  • যেকোন স্থান থেকে যেকোন সময় ২৪/৭ সহজে দান করা যায়।
  • প্রতিটি লেনদেনের স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি হয়।
  • দাতা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় রসিদ ও আয়কর রেয়াতের প্রত্যয়ন পান।
  • ঘরে বসেই দাতা যেকোন সময় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস, ইন্টারনেট ব্যাংকিং অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দান করতে পারেন।
  • দানকৃত অর্থ ব্যবহারে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়।
  • দাতা চাইলে কেন্দ্রীয় তহবিলে অথবা পছন্দের যেকোন হাসপাতালে দান করতে পারেন।
  • অফিস সময়ের বাইরেও দাতা সহজে অনলাইনে দান করতে পারেন।
  • দাতা কোন প্রকার যোগাযোগ ছাড়াই অনলাইনে দান, অনুদান, যাকাত দিতে পারেন।

রোগীকল্যাণ সমিতির আয়ের উৎস

🏛️
সরকারি অনুদান
বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ থেকে প্রাপ্ত সরকারি অনুদান।
👥
সদস্য চাঁদা
সাধারণ ও আজীবন সদস্য চাঁদা।
🤲
যাকাত ও অনুদান
দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাকাত, দান, অনুদান হিসাবে প্রাপ্ত নগদ অর্থ।
medical equipments
চিকিৎসা সহায়ক সামগ্রী
দানশীল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাপ্ত চিকিৎসা সহায়ক দ্রব্যসামগ্রী।
📈
আয়বর্ধক কর্মসূচি
হাসপাতালের নিজস্ব সম্পদকে ব্যবহার করে গৃহীত বিভিন্ন আয়বর্ধক কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাপ্ত নগদ অর্থ।

তহবিল কাঠামো

রোগীকল্যাণ সমিতি
কেন্দ্রীয় তহবিল (অনুদান)
🟣 বিকাশ পেমেন্ট ০১৩২৪১৫৫০৪৭
🏦 ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি
📍 শাখা আগারগাঁও, ঢাকা
🔢 হিসাব নম্বর ৪৪৪০৪০২০০০৮৬৭
🔀 রাউটিং নম্বর ২০০২৬০০৪০
রোগীকল্যাণ সমিতি
কেন্দ্রীয় তহবিল (যাকাত)
🟣 বিকাশ পেমেন্ট ০১৩২৪১৫৫০৬৫
🏦 ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি
📍 শাখা আগারগাঁও, ঢাকা
🔢 হিসাব নম্বর ৪৪৪০৪০২০০০৮৮৩
🔀 রাউটিং নম্বর ২০০২৬০০৪০

আমাদের প্রতিটি তহবিলের আর্থিক নিরীক্ষা প্রতিবছর সম্পন্ন হয় — কারণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আমাদের মূল অঙ্গীকার।

যোগাযোগ ও ঠিকানা

আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে নিচের তথ্য ব্যবহার করুন।

✉️
ইমেইল
dd.med@dss.gov.bd
🌐
ওয়েবসাইট
https://dss.gov.bd
📍
ঠিকানা
কক্ষ নং-৯০১ ও ৯০৩, সমাজসেবা অধিদপ্তর
ই-৮/বি-১, আগারগাঁও,
শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭

বিকাশ পেমেন্ট

bKash Payment Gateway

পরিমাণ
💚
🔒 বিকাশের নিরাপদ পেমেন্ট পেজে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে আপনার বিকাশ নম্বর ও পিন দিয়ে পেমেন্ট করুন।

বিকাশ পেমেন্ট পেজ লোড হচ্ছে...

লোগো

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম

রোগীকল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় তহবিল

কক্ষ নং-৯০১ ও ৯০৩, সমাজসেবা অধিদপ্তর ই-৮/বি-১, আগারগাঁও, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭

প্রাপ্তি স্বীকারপত্র
মোট প্রদত্ত পরিমাণ
রিসিট নম্বর
তারিখ ও সময়
দানকারীর নাম
মোবাইল নম্বর
তহবিল
পেমেন্ট পদ্ধতি
🏛️ এই অনুদান এস. আর. ও. নং ১৫০-আইন/আয়কর-০৫/২০২৫ অনুযায়ী
আয়কর রিটার্নে কর রেয়াতের সুবিধা প্রদান করে।
এই প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি সংরক্ষণ করুন।